রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন

নোটিশ :
বরিশাল সময় নিউজ ডটকম অনলাইন নিউজ পোর্টালে বিভিন্ন জেলা-উপজেলা ও থানা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। যারা প্রকৃতভাবে কাজ করতে ইচ্ছুক এবং সাংবাদিক হতে আগ্রহী তারা যোগাযোগ করুন, প্রকাশক ও সম্পাদকঃ ০১৭২০-৪৩৪১৭৮
আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান: আলোচিত ইসলাম বিষয়ক বক্তাকে নিখোঁজের সাত দিন পর পাওয়া গেল

আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান: আলোচিত ইসলাম বিষয়ক বক্তাকে নিখোঁজের সাত দিন পর পাওয়া গেল

নিজস্ব প্রতিবেদক-  নিখোঁজ হওয়ার সাত দিন পর ইসলাম বিষয়ক বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানকে রংপুরে পাওয়া গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। রংপুর মহানগর পুলিশের উপ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন জানান, রংপুরের একটি বাড়িতে তাকে পাওয়া গেছে।বিস্তারিত জানার জন্য তাকে থানায় নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশে সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত এই বক্তা নিখোঁজ হওয়ার প্রায় সাত দিন পর পাওয়া গেলো। গত বৃহস্পতিবার রাতে রংপুর থেকে ঢাকায় ফেরার পথে মি. আদনান তার দু’জন সহকর্মী, গাড়ি চালক সহ চারজনের কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।এ ব্যাপারে পুলিশ কর্মকর্তা মারুফ হোসেন সে সময় জানিয়েছেন যে, “সর্বশেষ যোগাযোগ অনুযায়ী তারা ঢাকার গাবতলী পার হয়ে মিরপুর ১১ নম্বরের কাছাকাছি ছিল।” “সেখান থেকে তার পরিবারের সাথেও কথা হয়েছে যে ১০ বা ১৫ মিনিটের মধ্যে পৌঁছে যাবেন। কিন্তু এরপর থেকেই তারা ডিসকানেক্টেড হয়ে যায়।”এসব অভিযোগ এনে মি. আদনানের স্ত্রী সাবেকুন নাহার এক সংবাদ সম্মেলনে তার স্বামীসহ আরও যে তিন জন নিখোঁজ হয়েছেন তাদের সবার সন্ধানের দাবি জানান। পরিবারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং পুলিশ ও র‍্যাবের প্রধানদের বরাবরে চিঠি দিয়ে মি. আদনানকে খুঁজে বের করার দাবি জানানো হয়েছে। মিসেস নাহার অভিযোগ করেছেন, তার স্বামী নিখোঁজ হওয়ার পর মামলা করার জন্যও তাকে থানায় থানায় ঘুরতে হয়েছে।

মি. আদনান রংপুর থেকে ঢাকায় আসার পথে ঠিক কোথা থেকে নিখোঁজ হয়েছেন – এই প্রশ্ন তুলে ঢাকার মিরপুর এলাকার দু’টি থানায় প্রথমে তাদের জিডিও নেয়া হয়নি। শেষপর্যন্ত ঘটনার পরদিন শুক্রবার নিখোঁজ ঐ ব্যক্তির মা এবং স্ত্রী রংপুরে থানায় গিয়ে দু’টি জিডি করেন। পরে মিসেস নাহার গত সোমবার মিরপুরের পল্লবী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। ঢাকা থেকে নিখোঁজ হওয়ার ব্যাপারে পুলিশ সে সময় নিশ্চিত না হওয়ায় অভিযোগটি মামলা হিসাবে গ্রহণ করা হয়নি। মি: আদনানের একটি ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে। সেখানে তিনি ইসলাম সম্পর্কে বক্তব্য দিতেন। এছাড়া তিনি দেশের বিভিন্ন জায়গায় ধর্মীয় সমাবেশে যেতেন বক্তা হিসাবে। কোরআন শিক্ষা দেয়ার জন্য তার একটি মাদ্রাসা ছিল। তার পরিবারের কাছ থেকে এসব তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

 

 

 




© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৮,  বরিশাল সময় নিউজ ডটকম, বরিশাল সময় নিউজ লিমিটেডেরে একটি প্রতিষ্ঠান, এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।