শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন

নোটিশ :
বরিশাল সময় নিউজ ডটকম অনলাইন নিউজ পোর্টালে বিভিন্ন জেলা-উপজেলা ও থানা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। যারা প্রকৃতভাবে কাজ করতে ইচ্ছুক এবং সাংবাদিক হতে আগ্রহী তারা যোগাযোগ করুন, প্রকাশক ও সম্পাদকঃ ০১৭২০-৪৩৪১৭৮
বেহাল দূর্দশা নলছিটির ইসলামিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার

বেহাল দূর্দশা নলছিটির ইসলামিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার

নিজস্ব প্রতিবেদক—  ভোর হলেই প্রতিষ্ঠানটি প্রায় হাজার শিক্ষার্থীর পদচারনায় মুগ্ধ হয়। ইসলামিক শিক্ষার জন্য সেই ১৯১০ সালে যে প্রতিষ্ঠানটি শের-ই-বাংলা একে ফজলুল হক তৈরী করেছিলেন। সেই প্রতিষ্ঠানটি আজ বেহাল অবস্থায় প্রতিদিনের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। পুরনো ভবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে পাঠদান। বলছিলাম ঝালকাঠি জেলার নলছিটি পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের চায়না রোডের নলছিটি ইসলামিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার কথা। সরজমিনে পরিদর্শন কালে দেখা যায়, মাদ্রাসাটির ভবন ৩টি থাকলেও বর্তমানে ১টি ভবন ব্যবহারের অনুপোযোগী হওয়ায় ভবনটি পরিত্যাক্ত ঘোষনা করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। বাকি দুটি ভবনের একটি ২য় তলা এবং একটি ১তলা বিশিষ্ট হলেও শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানের স্থান সংকটে পরতে হয় প্রতিদিন। দেখা যায়, বাকি যে ভবন দুটিতে শিক্ষাদান করা হয় তারও একাধিক স্থানে পলেস্তার খসে পরেছে। মাদ্রাসাটিতে শিক্ষার্থীদের সংখ্যাও কম নয়। ১ম থেকে অনার্স পর্যন্ত ৭৫৯ জন শিক্ষার্থী এখানে শিক্ষা গ্রহনের জন্য আসেন প্রতিদিন। এবিষয়ে মাদ্রাসার এক অভিবাবক জানান, যে নলছিটি উপজেলার মধ্যে বর্তমানে মাদ্রাসা শিক্ষাদানে নলছিটির ইসলামিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসাটি অনেক এগিয়ে। এখানে উপজেলার দূর দুরান্ত থেকে অনেক শিক্ষার্থী পাঠদানের জন্য আসে। মাদ্রসাটিতে বর্তমানে একটি নতুন ভবনের কোন বিকল্প নেই। কারন প্রতিনিয়তই এখানে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বাড়ছে এবং ভবিষ্যৎ আরো বাড়বে। তবে এদিকে যদি সরকার সুদৃষ্টি দেয় তাহলে মাদ্রাসাটি অনেকদূর এগিয়ে যাবে এবং উপজেলার আদর্শ মাদ্রাসা হিসেবে এটি বিবেচিত হবে। স্থাণীয় একাধিক ব্যাক্তিরা দাবী করে বলেন যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছেন। আর তার সাথে তাল মিলিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আমাদের উপজেলার মধ্যে নলছিটির ইসলামিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসাটি শিক্ষাদানে অনেক এগিয়েছে তবে বর্তমানে মাদ্রাসাটিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি মাদ্রাসাটির পরিধি এবং লাগেনি উন্নয়নের ছোয়া। তাই আমরা এলাকাবাসীরা চাই মাদ্রাসাটিকে যেন আধুনিকায়ণ করা হয় এবং নতুন ভবন তৈরী করে শিক্ষাদানের সুব্যবস্থা করা হয়। এবিষয়ে মাদ্রাসাটির অধ্যক্ষ মুফতি মাও: মো: দোলোয়ার হোসেন জানান, যে নলছিটি উপজেলার মধ্যে আমাদের মাদ্রাসাটি শিক্ষাদানের জন্য শিক্ষার্থীদের সবসময়ই সর্বোচ্চটা দিয়ে আসছে। তবে বর্তমানে মাদ্রাসাটিতে আসন সংখ্যা নিয়ে সংকট দেখা দিয়েছে যা খুবই গুরুতর। মাদ্রাসাটির বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আমরা বিগত দিনে বিভিন্ন দপ্তরে দৌড়ঝাপ করলেও বিশেষ কোন উন্নয়নের ছোয়া মাদ্রাসাটিতে লাগেনি। তবে আমরা চাই মাদ্রাসাটির উন্নয়ন হোক শিক্ষার্থীরা নিশ্চিন্তে পাঠদান করুক। অপরদিকে মাদ্রাসাটির গভনিংবডির সভাপতি সরদার মো: শাহে আলম এর সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, আমরা প্রতিনিয়তই মাদ্রাসাটির উন্নয়নের জন্য চেষ্টা করে চলছি তবে সরকারের সুদৃষ্টি না পেলে মাদ্রাসাটির ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মধ্যে পরবে। এবিষয়ে ঝালকাঠি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: শহিদুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি বলেন,আমরা প্রতিনিয়তই মাদ্ররাসাটির উন্নয়নের জন্য চেষ্টা করে চলছি তবে সরকারের সু দৃষ্টি না পেলে মাদ্ররাসাটির ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মধ্যে পরবে!!

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

 

 

 




© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৮,  বরিশাল সময় নিউজ ডটকম, বরিশাল সময় নিউজ লিমিটেডেরে একটি প্রতিষ্ঠান, এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।