বরিশাল ০১:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গৌরনদীতে ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর হামলা ও বাইকে অগ্নিসংযোগ, ২০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার ২ বরিশালে পুলিশ বক্সে হামলা অজ্ঞাত ৩০০ জনের নামে মামলা মাদারীপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলকারীদের সঙ্গে পুলিশ-ছাত্রলীগের ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১ আক্রমণ না করার শর্তে ববি ক্যাম্পাস ছেড়েছে পুলিশ-বিজিবি উজিরপুরে কোটা বিরোধী আন্দোলনে হামলার প্রতিবাদে সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল ভোলায় কোটা আন্দোলনের নামে ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা বাবা মুক্তিযোদ্ধা না তবু ও কোটায় চাকরি তিন ছেলের যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান’র মৃত্যুবার্ষিকীতে গৌরনদীতে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত ভোলায় হাসপাতালে লাশ রেখে পালালেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন, স্বজনদের দাবি হত্যা নলছিটিতে চাচাকে হত্যা চেষ্টা মামলায় ভাতিজা গ্রেপ্তার

আমতলী পৌর নির্বাচনে বহিরাগতদের আনাগোনা, সহিংসতার শঙ্কা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ১০৩ বার পড়া হয়েছে

বরগুনা প্রতিনিধি: প্রতিক বরাদ্দের পর জমে উঠেছে আমতলী পৌরসভা নির্বাচন। দুপুর ২টার পর থেকেই প্রচার গাড়ীতে উচ্চ শব্দে নানা সুরের নির্বাচনী গান বাজিয়ে পছন্দের প্রার্থীর প্রচার চালিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন পৌরসভার পাড়া মহল্লার ওলি গলি। ভোটারদের ঘরে ঘরে গিয়ে যে যার মত ভোট প্রার্থনা করেছেন প্রার্থীরা। পৌর শহরের ছোট ছোট দোকানগুলোতে বসে চায়ের কাপে লম্বা চুমুক দিতে দিতে পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে কথা বলছেন সাধারণ ভোটাররা, করছেন নিজ নিজ প্রার্থীর গুণগান। আমতলী পৌর নির্বাচনের এই আমেজ মলিন হতে পারে বহিরাগতদের কারনে। এমনটিই মনে করছেন প্রার্থী ও সাধারণ ভোটাররা।

বহিরাগতদের দাপটে ভোটারদের শঙ্কিত থাকতে হয় বলে অভিযোগ করেন আমতলী পৌরসভার মেয়র ও মোবাইল প্রতিকের প্রার্থী মতিয়ার রহমান। সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় বরগুনা সদর উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবিরসহ প্রায় অর্ধ শতাধিক বহিরাগতদের আমতলী পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের ওয়াপদা সড়কে অবস্থান করতে দেখা যায়। মতিয়ার রহমান বলেন, তফসিল ঘোষণার পরে নিয়মনীতি মেনেই আমি আমার নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। প্রতিক বরাদ্দের পরে শান্তিপূর্ণভাবে আমরা প্রচার প্রচারণা চালিয়ে আসছিলাম। আমার প্রতিদ্বন্দ্বী হ্যাঙ্গার প্রতিকের প্রার্থী নাজমুল আহসান খান নান্নু বরগুনা, পার্শ্ববর্তী চাকামাইয়াসহ বিভিন্ন এলাকার বহিরাগত লোকজন এনে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাইছে। তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

অপর প্রতিদ্বন্দ্বী হ্যাঙ্গার প্রতিকের প্রার্থী নাজমুল আহসান খান নান্নু প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীর প্রতি পাল্টা অভিযোগ করে  বলেন, আমার ব্যানার হাতে নিয়ে তার নিজের লোকজন দিয়ে এসব করায়। কারা এসব করে এবিষয়ে আমার জানা নেই। আমি সামনের দিনগুলোতে আর কোন আচরণবিধি লঙ্ঘন করবো না।

আমতলী পৌরসভা নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবদুল হাই আল হাদী  বলেন, বিষয়টি আমরাও শুনেছি, কয়েকজন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাদের লোকজন নিয়ে একজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। তবে তাদেরকে আচরণবিধি মেনে প্রচারণা চালাতে বলা হয়েছে। আমতলী পৌরসভা নির্বাচনের মাঠ পর্যবেক্ষণের জন্য তিনজন ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ভোট গ্রহনের ৭২ঘন্টা আগে সকল বহিরাগতদের মাকিং করে নির্বাচনী এলাকা ছাড়তে বলা হবে। আমতলী পৌরসভা নির্বাচনে বর্তমান মেয়র ও আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মতিয়ার রহমান, সহ-সভাপতি নাজমুল আহসান নান্নু, জিল্লুর রহমান, নুসরাত জাহান, জহিরুল ইসলাম খোকন, ইফতেকার হাসান, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আবুল কালাম আজাদ ও কামাল হোসেন মেয়র পদে অংশ নিলেও মতিয়ার রহমান ও নাজমুল আহসান খান নান্নু ছাড়া কোন প্রার্থীর প্রচার প্রচারণা দেখতে পাওয়া যায়নি।

এর বাইরেও ৯টি ওয়ার্ডে (পুরুষ) ৩৬ জন কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়ে লড়ছেন। নারী কাউন্সিল পদে ০৯ জন প্রার্থী হয়ে লড়ছেন। আগামী ০৯ মার্চ পৌর এলাকায় ১৫ হাজার ৮ ’শ ৩৯ ভোটার তাদের ভোটের মাধ্যমে পছন্দের নেতা নির্বাচন

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আমতলী পৌর নির্বাচনে বহিরাগতদের আনাগোনা, সহিংসতার শঙ্কা

আপডেট সময় : ০৬:৫৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বরগুনা প্রতিনিধি: প্রতিক বরাদ্দের পর জমে উঠেছে আমতলী পৌরসভা নির্বাচন। দুপুর ২টার পর থেকেই প্রচার গাড়ীতে উচ্চ শব্দে নানা সুরের নির্বাচনী গান বাজিয়ে পছন্দের প্রার্থীর প্রচার চালিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন পৌরসভার পাড়া মহল্লার ওলি গলি। ভোটারদের ঘরে ঘরে গিয়ে যে যার মত ভোট প্রার্থনা করেছেন প্রার্থীরা। পৌর শহরের ছোট ছোট দোকানগুলোতে বসে চায়ের কাপে লম্বা চুমুক দিতে দিতে পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে কথা বলছেন সাধারণ ভোটাররা, করছেন নিজ নিজ প্রার্থীর গুণগান। আমতলী পৌর নির্বাচনের এই আমেজ মলিন হতে পারে বহিরাগতদের কারনে। এমনটিই মনে করছেন প্রার্থী ও সাধারণ ভোটাররা।

বহিরাগতদের দাপটে ভোটারদের শঙ্কিত থাকতে হয় বলে অভিযোগ করেন আমতলী পৌরসভার মেয়র ও মোবাইল প্রতিকের প্রার্থী মতিয়ার রহমান। সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় বরগুনা সদর উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবিরসহ প্রায় অর্ধ শতাধিক বহিরাগতদের আমতলী পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের ওয়াপদা সড়কে অবস্থান করতে দেখা যায়। মতিয়ার রহমান বলেন, তফসিল ঘোষণার পরে নিয়মনীতি মেনেই আমি আমার নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। প্রতিক বরাদ্দের পরে শান্তিপূর্ণভাবে আমরা প্রচার প্রচারণা চালিয়ে আসছিলাম। আমার প্রতিদ্বন্দ্বী হ্যাঙ্গার প্রতিকের প্রার্থী নাজমুল আহসান খান নান্নু বরগুনা, পার্শ্ববর্তী চাকামাইয়াসহ বিভিন্ন এলাকার বহিরাগত লোকজন এনে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাইছে। তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

অপর প্রতিদ্বন্দ্বী হ্যাঙ্গার প্রতিকের প্রার্থী নাজমুল আহসান খান নান্নু প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীর প্রতি পাল্টা অভিযোগ করে  বলেন, আমার ব্যানার হাতে নিয়ে তার নিজের লোকজন দিয়ে এসব করায়। কারা এসব করে এবিষয়ে আমার জানা নেই। আমি সামনের দিনগুলোতে আর কোন আচরণবিধি লঙ্ঘন করবো না।

আমতলী পৌরসভা নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবদুল হাই আল হাদী  বলেন, বিষয়টি আমরাও শুনেছি, কয়েকজন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাদের লোকজন নিয়ে একজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। তবে তাদেরকে আচরণবিধি মেনে প্রচারণা চালাতে বলা হয়েছে। আমতলী পৌরসভা নির্বাচনের মাঠ পর্যবেক্ষণের জন্য তিনজন ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ভোট গ্রহনের ৭২ঘন্টা আগে সকল বহিরাগতদের মাকিং করে নির্বাচনী এলাকা ছাড়তে বলা হবে। আমতলী পৌরসভা নির্বাচনে বর্তমান মেয়র ও আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মতিয়ার রহমান, সহ-সভাপতি নাজমুল আহসান নান্নু, জিল্লুর রহমান, নুসরাত জাহান, জহিরুল ইসলাম খোকন, ইফতেকার হাসান, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আবুল কালাম আজাদ ও কামাল হোসেন মেয়র পদে অংশ নিলেও মতিয়ার রহমান ও নাজমুল আহসান খান নান্নু ছাড়া কোন প্রার্থীর প্রচার প্রচারণা দেখতে পাওয়া যায়নি।

এর বাইরেও ৯টি ওয়ার্ডে (পুরুষ) ৩৬ জন কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়ে লড়ছেন। নারী কাউন্সিল পদে ০৯ জন প্রার্থী হয়ে লড়ছেন। আগামী ০৯ মার্চ পৌর এলাকায় ১৫ হাজার ৮ ’শ ৩৯ ভোটার তাদের ভোটের মাধ্যমে পছন্দের নেতা নির্বাচন