বরিশাল ১২:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়ায় সিএনজি খাদে পড়ে নিহত ২ রাজাপুরে এসএসসি ২০১৬ ব্যাচের ইফতার ও পূর্নমিলনী অনুষ্ঠিত উজিরপুরে এসএসসি ২০১৬ ব্যাচের ইফতার ও পূর্নমিলনী অনুষ্ঠিত সুবিদখালী দারুসসুন্নাত ফাজিল মাদ্রাসার প্রাক্তন ছাত্র এসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল উজিরপুরে ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ডাকাত সর্দার শহীদুল গ্রেফতার রিয়াজ উদ্দিন আহমেদকে পুনরায় উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় মঠবাড়িয়াবাসী পটুয়াখালীতে সৌদি আরবের সাথে ঈদ উদযাপন  ভুরিয়া ইউপি নির্বাচনে আনারস প্রতীক পেলেন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব সরোয়ার হোসেন খান পটুয়াখালীতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পরিস্থিতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার  পটুয়াখালী সদর উপজেলা বাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুবলীগ নেতা রেজাউল করিম সোয়েব

বানারীপাড়ায় যুবতীকে শ্লীলতাহানী করে -মারধর ও স্বর্ণ ছিনতাইয়ের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৬:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মার্চ ২০২৪ ১১৬ বার পড়া হয়েছে

বানারীপাড়া প্রতিনিধি— বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের দক্ষিণ বাইশারী গ্রামে যুবতীকে মারধর-শ্লীলতাহানী ও মারধর করে স্বর্ণ ছিনতাই করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের সূত্র ধরে বানারীপাড়া হাসপাতালে গেলে আহত নাজমা আক্তার সাথী তার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিবারণ দেন। সে জানায়, স্থানীয় ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. শাহিন খানের নির্দেশে তার ওপরে মিজান হাওলাদার (৪৫), পিতা শামসু ক্বারী, তার অন্য ছেলে আবুল হাং(৪০), মেরিনা বেগম (৩৫) স্বামী মিজান হাং, জেসমিন বেগম (৫০) স্বামী সেরাজুল হক ও মমতাজ বেগম, পিতা কালু হাওলাদার তাকে মারধর করে। এ সময় তার গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন, হাতে থাকা স্বর্ণের বালা-চুড়ি ও স্বর্ণের আংটি ছিনিয়ে নেয় অভিযুক্তদের মধ্য থেকে। তার বুকের ওপরে পা দিয়ে আঘাত করা হয়। এছাড়াও শরীরের বিভিন্ন স্পর্শ কাতর স্থানে আঘাত করা হয়। ফলে উক্ত স্থানসহ শরীরের কিছু অংশে রক্ত ফুলা জখমের সৃস্টি হয়েছে। ঘটনার সূত্রপাত, সোমবার ১৮ মার্চ সকালে আহতরা তাদের পাশের বাড়ির সালাম বালী নামের এক প্রতিবেশি মা মারা গেলে সেখানে যাওয়ার পরে মারধরের ঘটনার সৃষ্টি হয়। নাজমার পিতা আজিজুল হক জানান গত ৬ বছর আগে মিজান তাকে বিদেশ পাঠিয়ে তার বসতবাড়ি দখল করে নেয়। তবে বিদেশে গিয়ে (সৌদি আরব) সেখানে তাকে দালাল চক্রের কাছে বিক্রি করে দেয়া হয়েছে। ফলে বাড়ির সাথে সে কোন ধরণের যোগাযোগ করতে পারেনি। আজিজুল হক যেদিন বিদেশে যাওয়ার জন্য ঢাকা গিয়েছিলেন, ওই সময় তার স্ত্রী ও মেয়েও সাথে গিয়েছিলো। এই সুযোগে ওইদিনই মিজান গংরা তাদের বসত ঘর দখল করে নেয়। ৬ বছর পরে দেশে ফিরে নিজ বাড়িঘর ফিরে পেতে বহু দেন-দরবার হলেও কোন তারিখেই মিজান গংরা উপস্থিত হননি। ঘটনার দিন (১৮মার্চ) আজিজুল হকের পরিবারের সকলকে এক সাথে দেখলে, মিজান গংরা মনে করে তারা বাড়িঘর দখল করতে পারে। ওই সময় সালাম বালীর মায়ের জানাযা নামাজ শেষেই নাজমাকে একা পেয়ে মারধর শুরু করে অভিযুক্তরা। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহিন খাঁ জানান, তিনি ওখানে প্রথমে ছিলেন না। তাদের দু-পক্ষের মধ্যে বসতঘর ও জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে এটা জানি। মারধর করার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বানারীপাড়ায় যুবতীকে শ্লীলতাহানী করে -মারধর ও স্বর্ণ ছিনতাইয়ের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:৩৬:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মার্চ ২০২৪

বানারীপাড়া প্রতিনিধি— বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের দক্ষিণ বাইশারী গ্রামে যুবতীকে মারধর-শ্লীলতাহানী ও মারধর করে স্বর্ণ ছিনতাই করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের সূত্র ধরে বানারীপাড়া হাসপাতালে গেলে আহত নাজমা আক্তার সাথী তার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিবারণ দেন। সে জানায়, স্থানীয় ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. শাহিন খানের নির্দেশে তার ওপরে মিজান হাওলাদার (৪৫), পিতা শামসু ক্বারী, তার অন্য ছেলে আবুল হাং(৪০), মেরিনা বেগম (৩৫) স্বামী মিজান হাং, জেসমিন বেগম (৫০) স্বামী সেরাজুল হক ও মমতাজ বেগম, পিতা কালু হাওলাদার তাকে মারধর করে। এ সময় তার গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন, হাতে থাকা স্বর্ণের বালা-চুড়ি ও স্বর্ণের আংটি ছিনিয়ে নেয় অভিযুক্তদের মধ্য থেকে। তার বুকের ওপরে পা দিয়ে আঘাত করা হয়। এছাড়াও শরীরের বিভিন্ন স্পর্শ কাতর স্থানে আঘাত করা হয়। ফলে উক্ত স্থানসহ শরীরের কিছু অংশে রক্ত ফুলা জখমের সৃস্টি হয়েছে। ঘটনার সূত্রপাত, সোমবার ১৮ মার্চ সকালে আহতরা তাদের পাশের বাড়ির সালাম বালী নামের এক প্রতিবেশি মা মারা গেলে সেখানে যাওয়ার পরে মারধরের ঘটনার সৃষ্টি হয়। নাজমার পিতা আজিজুল হক জানান গত ৬ বছর আগে মিজান তাকে বিদেশ পাঠিয়ে তার বসতবাড়ি দখল করে নেয়। তবে বিদেশে গিয়ে (সৌদি আরব) সেখানে তাকে দালাল চক্রের কাছে বিক্রি করে দেয়া হয়েছে। ফলে বাড়ির সাথে সে কোন ধরণের যোগাযোগ করতে পারেনি। আজিজুল হক যেদিন বিদেশে যাওয়ার জন্য ঢাকা গিয়েছিলেন, ওই সময় তার স্ত্রী ও মেয়েও সাথে গিয়েছিলো। এই সুযোগে ওইদিনই মিজান গংরা তাদের বসত ঘর দখল করে নেয়। ৬ বছর পরে দেশে ফিরে নিজ বাড়িঘর ফিরে পেতে বহু দেন-দরবার হলেও কোন তারিখেই মিজান গংরা উপস্থিত হননি। ঘটনার দিন (১৮মার্চ) আজিজুল হকের পরিবারের সকলকে এক সাথে দেখলে, মিজান গংরা মনে করে তারা বাড়িঘর দখল করতে পারে। ওই সময় সালাম বালীর মায়ের জানাযা নামাজ শেষেই নাজমাকে একা পেয়ে মারধর শুরু করে অভিযুক্তরা। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহিন খাঁ জানান, তিনি ওখানে প্রথমে ছিলেন না। তাদের দু-পক্ষের মধ্যে বসতঘর ও জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে এটা জানি। মারধর করার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন।