বরিশাল ১২:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাবা মুক্তিযোদ্ধা না তবু ও কোটায় চাকরি তিন ছেলের যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান’র মৃত্যুবার্ষিকীতে গৌরনদীতে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত ভোলায় হাসপাতালে লাশ রেখে পালালেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন, স্বজনদের দাবি হত্যা নলছিটিতে চাচাকে হত্যা চেষ্টা মামলায় ভাতিজা গ্রেপ্তার বিয়ের দাবিতে ছাত্রদল নেতার বাড়িতে তরুণীর অনশন মাদারীপুরে দুগ্ধপোষ্য ২ সন্তানকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে মানসিক ভারসাম্যহীন মা গৌরনদীতে পূর্ব শত্রুতার একজনকে খুপিয়ে জখম আমতলীতে গুপ্তধন দেয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নিলো কবিরাজ ভোলায় ১১৫ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী আটক বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুই চিকিৎসকের মধ্যে হাতাহাতি

মির্জাগঞ্জে ব্রিজ নির্মানে ধীরগতি, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

আব্দুল ওয়াদুদ
  • আপডেট সময় : ০২:০০:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০২৪ ৫৫ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে শ্রীমন্ত নদীর ওপর নির্মাণাধীন সেতুর কাজে ধীরগতিতে চলছে। উপজেলার মাধবখালী ইউনিয়নের কাঠালতলী – রামপুর সংযোগ ব্রিজের এই অবস্থা। ৩ বছরে নির্মাণ কাজ শেষ করার কথা থাকলেও হয়েছে ৪০ শতাংশ কাজ। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার কয়েক হাজার মানুষের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এছাড়া যানবাহন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে। নেই বিকল্প পারাপারের ব্যবস্থাও। লোকজন বাধ্য হয়ে পাশের ঝুঁকিপূর্ন ব্রিজ দিয়ে চলাচল করছে। উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ২০২০-২১ অর্থ বছরে জাইকার অর্থায়নে ৬ কোটি ৬৪ লাখ ৯০ হাজার ৭৬ টাকা ব্যয়ে ব্রিজ নির্মানের কাজটি যৌথভাবে পায় বরিশালের এম এম বিল্ডার্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিঃ ও মের্সাস আমির ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন।কাজটি তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পালন করে মির্জাগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী দপ্তর। কিন্তু নির্মান কাজ শুরুর প্রায় ৪ বছর পার হলেও শেষ হয়নি ব্রিজটির কাজ। স্থানীয় বাসিন্দা মোসাঃ আয়শা বেগম বলেন, নতুন ব্রিজের কাজ শুরু করে দীর্ঘ বছর ফেলে রেখেছে ঠিকাদার। বিকল্প যোগাযোগের কোন ব্যবস্থা করেনি। আমারা ঝুঁকি নিয়ে পুরাতন ঝুঁকিপূর্ন ব্রিজ দিয়ে পায়ে হেঁটে নদী পার হই।কিন্তু কোন গাড়ি পার হতে পারে না। ফলে কোন লোকজন মারা গেলেও ব্রিজের ওপর গাড়ি থামিয়ে স্ট্রেতে করে বাড়ি নিয়ে যেতে হয়। এটা আমাদের জন্য খুব কষ্টকর হয়ে পরে। পথচারী মোঃ সাইফুল বলেন, ব্রিজটি নিয়ে আমারা অনেক সমস্যা আছি। ৩ বছরের বেশি সময় ধরে পরে আছে। গাড়ি নিয়ে আমরা পারাপার হতে পারিনা।খুবই দূর্ভোগ পোহাচ্ছি। গাড়ি চালক মো. বাবুল বলেন, নতুন ব্রিজ নির্মান কাজ শুরু করে শেষ করার কোন খবর নেই। অন্যদিকে পুরাতন ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ন হওয়ায় আমারা গাড়ি পার করতে পারছিনা।যাত্রী নামিয়ে দিতে হয় ব্রিজের ঢালে। এতে আমাদের দিনে দিনে অনেক লোকসান হচ্ছে। মির্জাগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আলমগীর বাদশাহ্ বলেন, ব্রিজটি নির্মানে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কিছুটা গাফিলতি রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্রিজ নির্মান কাজটি শেষ করার জন্য ঠিকাদারকে জোর তাগিদ দেওয়া হবে। এবিষয়ে মের্সাস আমির ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশনের সত্ত্বাধিকারী মোঃ আমির হোসেন বলেন, কাজের শুরুতে ঝামেলা হয়েছিলে। তবে যথা সময়ে কাজ শেষ হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মির্জাগঞ্জে ব্রিজ নির্মানে ধীরগতি, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

আপডেট সময় : ০২:০০:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে শ্রীমন্ত নদীর ওপর নির্মাণাধীন সেতুর কাজে ধীরগতিতে চলছে। উপজেলার মাধবখালী ইউনিয়নের কাঠালতলী – রামপুর সংযোগ ব্রিজের এই অবস্থা। ৩ বছরে নির্মাণ কাজ শেষ করার কথা থাকলেও হয়েছে ৪০ শতাংশ কাজ। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার কয়েক হাজার মানুষের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এছাড়া যানবাহন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে। নেই বিকল্প পারাপারের ব্যবস্থাও। লোকজন বাধ্য হয়ে পাশের ঝুঁকিপূর্ন ব্রিজ দিয়ে চলাচল করছে। উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ২০২০-২১ অর্থ বছরে জাইকার অর্থায়নে ৬ কোটি ৬৪ লাখ ৯০ হাজার ৭৬ টাকা ব্যয়ে ব্রিজ নির্মানের কাজটি যৌথভাবে পায় বরিশালের এম এম বিল্ডার্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিঃ ও মের্সাস আমির ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন।কাজটি তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পালন করে মির্জাগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী দপ্তর। কিন্তু নির্মান কাজ শুরুর প্রায় ৪ বছর পার হলেও শেষ হয়নি ব্রিজটির কাজ। স্থানীয় বাসিন্দা মোসাঃ আয়শা বেগম বলেন, নতুন ব্রিজের কাজ শুরু করে দীর্ঘ বছর ফেলে রেখেছে ঠিকাদার। বিকল্প যোগাযোগের কোন ব্যবস্থা করেনি। আমারা ঝুঁকি নিয়ে পুরাতন ঝুঁকিপূর্ন ব্রিজ দিয়ে পায়ে হেঁটে নদী পার হই।কিন্তু কোন গাড়ি পার হতে পারে না। ফলে কোন লোকজন মারা গেলেও ব্রিজের ওপর গাড়ি থামিয়ে স্ট্রেতে করে বাড়ি নিয়ে যেতে হয়। এটা আমাদের জন্য খুব কষ্টকর হয়ে পরে। পথচারী মোঃ সাইফুল বলেন, ব্রিজটি নিয়ে আমারা অনেক সমস্যা আছি। ৩ বছরের বেশি সময় ধরে পরে আছে। গাড়ি নিয়ে আমরা পারাপার হতে পারিনা।খুবই দূর্ভোগ পোহাচ্ছি। গাড়ি চালক মো. বাবুল বলেন, নতুন ব্রিজ নির্মান কাজ শুরু করে শেষ করার কোন খবর নেই। অন্যদিকে পুরাতন ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ন হওয়ায় আমারা গাড়ি পার করতে পারছিনা।যাত্রী নামিয়ে দিতে হয় ব্রিজের ঢালে। এতে আমাদের দিনে দিনে অনেক লোকসান হচ্ছে। মির্জাগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আলমগীর বাদশাহ্ বলেন, ব্রিজটি নির্মানে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কিছুটা গাফিলতি রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্রিজ নির্মান কাজটি শেষ করার জন্য ঠিকাদারকে জোর তাগিদ দেওয়া হবে। এবিষয়ে মের্সাস আমির ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশনের সত্ত্বাধিকারী মোঃ আমির হোসেন বলেন, কাজের শুরুতে ঝামেলা হয়েছিলে। তবে যথা সময়ে কাজ শেষ হবে।