বরিশাল ১২:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভোট দিতে রাজি না হওয়ায় দুমকিতে জেলে বরাদ্দের গরু ছিনিয়ে নিল চেয়ারম্যান! তালতলীতে সংবাদ সংগ্রহের সময় প্রধান শিক্ষকের হাতে সাংবাদিক লাঞ্ছিত নলছিটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিপুল ভোটে বিজয়ী সালাহ উদ্দিন খান সেলিম গৌরনদী উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীর অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল পটুয়াখালীতে মাদক ব্যবসায়ীর কথা না শোনায় মারধরের অভিযোগ গৌরনদীতে মটরসাইকেল মার্কার সমর্থনে উঠান বৈঠক দুমকিতে কাপ প্রিচ মার্কার প্রার্থী ও সমর্থকদের উপর হামলা ঝালকাঠিতে আ.লীগ-যুবলীগ ও ছাত্রলীগসহ ১৭ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা মঠবাড়িয়ায় এ্যাডঃ বায়জিদ আহম্মেদ খানের দোয়াত কলম মার্কার গনজোয়ার।  নলছিটিতে এক কেজি গাঁজাসহ যুবক আটক

পটুয়াখালীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক নারীকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে প্রতিপক্ষরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৭:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মে ২০২৪ ১১৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পটুয়াখালী সদর তিতকাটা গ্রামে জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধ ও কুপ্রস্তাবে  রাজি না হওয়ায়  এক স্বামী পরিতক্ত নারীকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।আহত নারীর নাম সালমা বেগম (৩৫)।

সালমা বেগম তিতকাটা গ্রামের মৃত দেনছের আলী আকনের মেয়ে।ও মোহাম্মদ সাগরের স্ত্রী। সালমা বেগম এক সন্তানের জননী।সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থায় স্বামী সাগর তাকে রেখে পালিয়ে যায়।এরপর থেকে বাবা দেনছের আলীর বাড়িতে একটি পুত্র সন্তান নিয়ে বসবাস করে আসছে।

বাবার ভিটায় থাকায় দীর্ঘদিন থেকে চাচাতো ভাই মজিদ আকনের সাথে জমি জমা নিয়ে বিরোধ চলছে।এ নিয়ে একাধিকবার কেস মামলা ও স্থানীয়দের মাধ্যমে সালিশ মীমাংস হলোও প্রতিপক্ষ ক্ষমতা বলে অসহায় সালমার জমি আত্মসাৎ এর পায়তারা করে।

আর এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিপক্ষরা হত্যার উদ্দেশ্যে দেশিও অশ্রশত্রু নিয়ে সালমা বেগমের উপর হামলা চালায়।পরে স্থানীয়রা আহতকে  উদ্ধার করে পটুয়াখালী হাসপাতালে ভর্তি করলে, সেখানে আহত শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা উন্নত চিকিৎসা জন্য বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্ররেণ করে।

আহত সূত্রে জানা যায়, সালমা বেগমের চাচাতো ভাই মজিদ আকনের সাথে দীর্ঘদিন যাবত জমি জমা নিয়ে বিরোধ চলছে। এদিকে প্রতিপক্ষরা জমি জমা মামলা বা সালিশ মীমাংসা দিয়ে এগোতে না পারায় বিভিন্ন সময়ে সালমা বেগমকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসতো।আর এতে সালমা বেগম রাজি না হওয়ায় প্রতিপক্ষরা বিভিন্ন নাম্বার থেকে সালমা বেগমকে ফোন দিয়ে অসামাজিক কথা বলে হয়রানি করে আসছিল।

এতেও সালমা বেগমের কিছু করতে না পারায় পূর্ব শত্রুতার জেরে  ২৯ এপ্রিল সকাল ৭টায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে কবির মিরা,রাসেল আকন,রিজন,মজিদ আকন,কাদের মিরা,নাহিদ,জাহিদ,কুদ্দুস সহ অজ্ঞাত চার-পাঁচ জন লোহার রড ও পাইপ দিয়ে সালমা বেগম কে এলোপাতারি পেটাতে শুরু করে।

এ সময় আহত্বর ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসলে মুমূর্ষ অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে আহত্বর বোনের ছেলে আরিফ সাংবাদিকদের জানায়, মজিদ আকনের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ তার খালা সালমার জমি নিয়ে বিরোধ চলছে।এবং বিভিন্ন সময় প্রতিপক্ষরা  বিভিন্ন নাম্বার থেকে সালমা কে ফোন দিয়ে খারাপ খারাপ কথা বলতো।

আর এতে রাজি না হওয়ায় হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালায়। বর্তমানে আহত সালমা বেগম হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে রয়েছে।উন্নত চিকিৎসার জন্য কয়েকদিন পর আবার পুনরায় হাসপাতালে  ভর্তি হতে হবে।সালমা বেগমের হাতের দু জায়গায় ভেঙ্গে যাওয়ায় তাতে অপারেশন লাগবে বলে চিকিৎসকরা জানায়।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পটুয়াখালীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক নারীকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে প্রতিপক্ষরা

আপডেট সময় : ১১:১৭:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মে ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পটুয়াখালী সদর তিতকাটা গ্রামে জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধ ও কুপ্রস্তাবে  রাজি না হওয়ায়  এক স্বামী পরিতক্ত নারীকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।আহত নারীর নাম সালমা বেগম (৩৫)।

সালমা বেগম তিতকাটা গ্রামের মৃত দেনছের আলী আকনের মেয়ে।ও মোহাম্মদ সাগরের স্ত্রী। সালমা বেগম এক সন্তানের জননী।সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থায় স্বামী সাগর তাকে রেখে পালিয়ে যায়।এরপর থেকে বাবা দেনছের আলীর বাড়িতে একটি পুত্র সন্তান নিয়ে বসবাস করে আসছে।

বাবার ভিটায় থাকায় দীর্ঘদিন থেকে চাচাতো ভাই মজিদ আকনের সাথে জমি জমা নিয়ে বিরোধ চলছে।এ নিয়ে একাধিকবার কেস মামলা ও স্থানীয়দের মাধ্যমে সালিশ মীমাংস হলোও প্রতিপক্ষ ক্ষমতা বলে অসহায় সালমার জমি আত্মসাৎ এর পায়তারা করে।

আর এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিপক্ষরা হত্যার উদ্দেশ্যে দেশিও অশ্রশত্রু নিয়ে সালমা বেগমের উপর হামলা চালায়।পরে স্থানীয়রা আহতকে  উদ্ধার করে পটুয়াখালী হাসপাতালে ভর্তি করলে, সেখানে আহত শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা উন্নত চিকিৎসা জন্য বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্ররেণ করে।

আহত সূত্রে জানা যায়, সালমা বেগমের চাচাতো ভাই মজিদ আকনের সাথে দীর্ঘদিন যাবত জমি জমা নিয়ে বিরোধ চলছে। এদিকে প্রতিপক্ষরা জমি জমা মামলা বা সালিশ মীমাংসা দিয়ে এগোতে না পারায় বিভিন্ন সময়ে সালমা বেগমকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসতো।আর এতে সালমা বেগম রাজি না হওয়ায় প্রতিপক্ষরা বিভিন্ন নাম্বার থেকে সালমা বেগমকে ফোন দিয়ে অসামাজিক কথা বলে হয়রানি করে আসছিল।

এতেও সালমা বেগমের কিছু করতে না পারায় পূর্ব শত্রুতার জেরে  ২৯ এপ্রিল সকাল ৭টায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে কবির মিরা,রাসেল আকন,রিজন,মজিদ আকন,কাদের মিরা,নাহিদ,জাহিদ,কুদ্দুস সহ অজ্ঞাত চার-পাঁচ জন লোহার রড ও পাইপ দিয়ে সালমা বেগম কে এলোপাতারি পেটাতে শুরু করে।

এ সময় আহত্বর ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসলে মুমূর্ষ অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে আহত্বর বোনের ছেলে আরিফ সাংবাদিকদের জানায়, মজিদ আকনের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ তার খালা সালমার জমি নিয়ে বিরোধ চলছে।এবং বিভিন্ন সময় প্রতিপক্ষরা  বিভিন্ন নাম্বার থেকে সালমা কে ফোন দিয়ে খারাপ খারাপ কথা বলতো।

আর এতে রাজি না হওয়ায় হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালায়। বর্তমানে আহত সালমা বেগম হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে রয়েছে।উন্নত চিকিৎসার জন্য কয়েকদিন পর আবার পুনরায় হাসপাতালে  ভর্তি হতে হবে।সালমা বেগমের হাতের দু জায়গায় ভেঙ্গে যাওয়ায় তাতে অপারেশন লাগবে বলে চিকিৎসকরা জানায়।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছে।